Friday, 16 March 2018

ছেলেবেলার​ রতিবাটী ৩ নং কোলেয়ারী🎱👆
***********
মাঝে মাঝে রাস্তায় ছোট্ট, ছোট্ট ছেলেদের দুরন্তপনা দেখে! অতীতের সেই ফেলে আসা দিনের কথা মনে পড়ে যায়!! তখন চোখ বন্ধ করে সেই ছোটবেলায় ফিরে যাই। আমি খুব দুরন্ত ধরনের ছিলাম। ছাতে, পেয়ারা গাছের মগডালে খেলতাম, নিজের সাথে নিজেই কথা বলতাম, গল্প করতাম, এই অভ্যাস এখনো রয়ে গেছে। হয়ত কেউ খেয়াল করলে আমাকে পাগল ভাববে।
**
ছোটবেলার কিছু ছবি এখনো চোখে ভাসে, কিন্তু এর মধ্যে কিছু ছবি মনে হয় মনের কল্পনা। আমরা রতিবাটী কলেয়ারী তে থাকতাম। আমার বাবার​ কোলিয়ারিতে চাকরি করার সুত্রে। আমাদের বাসার ঠিক সামনেই 3NO,7NO কোলিয়ারি পিছনে দিগন্ত বিস্তৃত খোলা মাঠ, মাঠের পরেই আমবাগান আর নুনিয়া নদী। একদিন বিকেলের কথা মনে আছে। প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে, ঘরে লাল বাতি জ্বালানো। আমি বৈঠকখানা ঘরের​ জানালার সামনে বসে বৃষ্টি দেখছি। তুমুল বৃষ্টি, সামনের সব ঝাপসা। চোখ বন্ধ করে এই স্মৃতি মনে করলে এর সাথে সাথে আরেকটা ছবি ভেসে উঠে, এই বৃষ্টির মধ্যে পাসের তাল পুকুরে (কোমোলায়) কুড়োজাল দিয়ে চিংড়ি মাছ ধরার সেই স্মৃতি আজ শুধুই কল্পনা, আজ এত দুরে বসে সেই ছেলেবেলার আমাদের 3 NO পাড়ার সব স্মৃতি স্পষ্ট দেখি। আমাদের বাসাটা পাড়ার শেষ প্রান্তে, আমাদের বাসার পাশেই​ ছিল গুলিমাটির ঘর, ওখানে দাদারা সরস্বতী পূজা করতো! পেঙ্গাদা,গুনাদা, পার্থদা, প্রসূন আরো অনেকে! একটু বড়ো হয়ে আমরা সবাই মিলে (বীবেক,জীবন, ইরশাদ, অসীম ও রামাকান্ত) সরস্বতী পূজা করতাম! কত মান অভিমান সেই পুজো কে কেন্দ্র করে! এক সময় আবার সবাই বন্ধু হয়ে যেতাম!বাসার অন্য এক পাসে ছিল কলিয়ারীর মেস, সেখানে বাংলার নানান প্রান্তের মানুষের বসবাস ছিল,রোজ সন্ধ্যায় তাসের আসর বসতো!
মেসের ঠিক উল্টো দিকে ছিল বীবেক ও প্রকাশ দের কোয়ার্টার (বাসা) অন্য প্রান্তে এক সমান্তরালে ছিল আমাদের সবার বাসা! আমাদের কোয়ার্টারের সেই লম্বা ছাতটা কথা খুব মনে পড়ে!! গ্রীষ্মকালে​ সবাই মিলে ছাতে ঘুমানোর স্মৃতি! শীতকালে সবাই মিলে গোল হয়ে কয়লার আগুনের​ চারপাশে বসে আগুন পোহানোর সেই স্মৃতিগুলো​ এখনো শীতের দিনে খুঁজে বেড়ায়!!!! কত মানুষের স্মৃতি নিয়ে আজকের 3NO ভারাক্রান্ত! সময়ের কলচক্রে অতীত হারিয়ে গেছে! নিজের মত করে কত ছবি না বানায়, অতিত আর বর্তমান কে একসময় আলাদা করাটাই কষ্ট হয়ে দাড়ায়।
আজ এত দুরে বসে সেই ছেলেবেলার সেই মানুষ জনের কথা পুরানো সাথিদের কথা হঠাৎ মনের মাঝে ভেসে ওঠে!! ছেলেবেলার আমাদের সেই ছোট্ট পাড়ার কথা! সেই সব পরিবার গুলি, একটা পারিবারের মত সবাই মিলে মিশে একসাথে সুখ, দুঃখ ভাগ করে নিত! ছেলেবেলার সেই সব পরিবার গুলি কোথায় যেন হারিয়ে গেছে!
*******
ফেলে আসা দিনগুলো!!!

Thursday, 27 October 2016

হারিয়ে যাওয়াও জীবন
******
একদা বর্ষায় আমার বাগানে!
ফুটে থাকা প্রথম কদম ফুল!
সেই কবেকার বুড়ো ছাতিম
এখনো বর্ষায় নিজেকে
ছোঁয়ার চেষ্টা।
একদিন ওই ছাতিম তলায় দাড়িয়ে তোমাকে চেয়েছিলাম
মনে পড়ে?
পড়েনা বুঝি?
অচেনা লাগে তাই আজ এই বর্ষায় ইট,কাঠ পাথরের নগর !!

সভ্যতার পিচঢালা পথে,
তৃষার্ত ওষ্ঠে জল খুঁজতে থাকা
কোন এক বেকার যুবকের!
শুকতলা খয়ে যাওয়ার কাহিনী!!
এই পথেই তো হেঁটেছি কতো
এই পথই আজ অচেনা লাগে।
আজ শরৎের
নীল আকাশে যখন সাদা মেঘ ভাসে, আর সেই বুড়ো ছাতিম তার
অসীম শূন্যতা ভর করে খুজে ফিরে পেতে চাই অতিত!
কিন্তু, এইতো জীবন।
বর্তমান একদিন হবে অতিত!!
আজ যখন হাজারো মানুষের ভিড়ে
হারিয়ে ফেলি নিজেকে
খুঁজতে থাকি চেনা কোনো মুখ,চেনা কন্ঠস্বর, কোন এক বর্ষার দিনে!
হয়তো নাম ধরে ডাকবে।
হারিয়ে যাওয়াও জীবন
আমার বাগানের সেই কদম
ছাতিমের ছাওয়ায় বেড়ে ওঠা
এই শহরের কোন আনাচে,কানাচে!!

গোলোকেন্দু
বরদা ৪ই ভ্রাদ্র

Sunday, 23 October 2016

ভারতের সৈনিক

আমি সৈনিক!!
আমি ভারতের সৈনিক
আমি নির্ভিক, দুরন্ত দুর্বার,পাকিস্তান আজ তোরে করব চুরমার....!!!
তুমি #প্রধানমন্ত্রী হও এবার দুরন্ত দুর্বার।
ওরা খুন করে উল্লাসে করে নৃত্য
আরো কতো দিনে জাগ্রত হবে তোমাদের চিত্ত
????
বজ্র নিনাদে ক্ষিপ্ত
হুংকারে গর্জে ওঠো এবার
আজ ওদের ভেঙ্গে করে দেব চুরমার
ভেঙ্গে দেবো শয়তানের হাত করে দেব চুরমার।
অকুতোভয় আমি সৈনিক,
দীপ্ত পদে এগিয়ে যাই
মানি না বাঁধা, আমেরিকা অথবা চায়না...
টর্ণেডো-সাইক্লোন,
মানবো না কোন সাম্রাজ্যবাদী র চোখ রাঙ্গনী!!!
আমি জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি অগ্নি,
আমি দুরন্ত দুর্বার- 

সময় এসেছে শয়তানদের করবো চুরমার।
যুদ্ধংদেহী আমি যোদ্ধা🏹

খুনী রক্ত পিপাসুদের ভয় করি না;
করি না তাদের শ্রদ্ধা-আমি যোদ্ধা।
আমি ভারতীয় সৈনিক!!
আমি অগ্নি, আমি আগ্নেয়গিরি
জ্বালিয়ে দেবো শয়তানদের ঘড় বাড়ি
আমি মানি না ধনী, কে ভৃত্য
শুধু গাহি সাম্যের গান।
আমি দুরন্ত দুর্বার-
ভেঙ্গে দেবো শয়তানদের হাত, মুন্ডু করবো চুরমার।
ভারতীয় সৈনিক!!!!

Sunday, 18 September 2016

আমার শৈশব ও মা
**********

বড় হবার সাথে-সাথে কখন যে,
আমার শৈশবের আমার অতীত হয়ে গেছে! নিজেই জানিনা!!
শ্রাবনের বাদল ঘন সন্ধায়
একলা ঘরে অদ্ভূত শূণ্যতায় 
হঠাৎ একদিন মনে পড়ে যায় ছেলেবেলার হারানো স্মৃতি-
 মায়ের লাল পাড়ে শাড়ির আঁচল!
তালপুকুরের সেই সাঁতার......!
শৈশবকে আমি হারাতে দিইনি।
স্মৃতির মনিকোঠার রন্ধে,রন্ধে
বন্দি রেখেছি!!!
আমার শৈশব আমার মায়ের আটপৌরে শাড়ির আচঁলের ফাঁক,ফোঁকোরে আজ ও বাঁধা পড়ে আছে!!!
ছেলে বেলার মেঘ ও রদ্দুর আজ্‌ও খেলা করে আমার সাথে।
আমার শৈশব আমার বর্ষাকাল।
বর্ষা এলে আবার আমি শৈশবে ফিরে যাই।
শরৎের আগমনের আভাস পেতে!!

********
মেঘলা আকাশ আামায় ডাকে মাঠের শেষে-
আমার মন ছুটে যেতে চায়,
সেই ছেলে বেলায়
মায়ের আঁচল ধরে
বৃষ্টিতে ভিজতে চায় সারাদিন।
জলের সাথে খেলা করে কাটিয়ে দিতে ইচ্ছে করে-
যেমন করে কাটিয়ে দিতাম আমার শৈশবে?
বৃষ্টি শেষে সেই রামধনু
আাজ কেমন যেন ফ্যাকাশে💦
কচুপাতার বুকে বৃষ্টির
নিরবে চুঁইয়ে পরার টুপটাপ শব্দ
এখনো শুনতে আমার ভাল লাগে!!
এই শৈশবের আনন্দ বুকে নিয়ে আজ্‌ও বেঁচে আছি।
আমি সেই বৃষ্টির ফোঁটায় অঙ্কুরিত হয়ে বড় হচ্ছি প্রতিদিন।
আমার কাছে শৈশবের কথা জনতে চাইলে আমি বলবো
মায়ের কথা আর বৃষ্টিভেজা
দিনের শেষে রামধনুর কথা!!
আমি আজ্‌ও সেই শৈশবের হাত ধরে আছি। মায়ের আঁচল দূরে র থেকে আামায় আড়াল করে!!
আমি আজ্‌ও ভিজি বর্ষার বৃষ্টিতে।🌧🌧🌧🌧🌧🌧🌧

২৩শে ভাদ্র✍🏽✍🏽✍🏽
সংসারের বৃত্ত!!!
*†*******
বৃত্তকার এক সাংসারিক বন্ধনে আবদ্ধ
হয়ে এক গোলাকার পথে আবিরাম ঘুড়ে যাবার নাম হইল সংসার!!!!!
সেই বৃত্ত হইতে কখন,কখন কেউ
স্পরশক (tengent) বরা,বর ছিটকে গিয়ে অন্তরধ্যান করে,এই মহাবিশ্বে অমর হয়ে যায়!!!আর, যারা ঐ বৃত্ত কার পথে আবদ্ধ থাকিয়া, সারা জীবন ঘুড়িয়া ক্লান্ত হইয়া
অবশেষে নিউক্লিয়াসে বিলিন হয়ে যায়
তাহারা সাংসারিক নামে ভূষিত হয়ে !!
ঐ বৃত্তকার কোন গৃহের দেওয়ালে
প্রতিকৃতি হয়ে সেই বৃত্তের মধ্যেই 
পুনরায়। .....!!
বন্দি হয়ে যায়!!!!!!!!!
সাংসারিক👥