Saturday, 16 June 2018

Vadodara!! My city!!

Vadodara

You are my city...

the cold shadow of old banyan tree!
that dispels the scorching heat of summer!!!

Enhailing this dust flying smells ands feels like home
the cloudy weather, the dim trees, the city looked like and open book.
with nature bringing a colourful beauty to ones heart ....the branches of the banyan tree in the middle of the city stirred and the leaves danced!!


my heart is scribbled without rythm of Garva
to the beautiful change made by ur smiling culture

The shimmers of the moon made the rest of the city glimmer
now its clear why ure a symbol of pride

The lullaby tunes of the mocking bird awakenes momments of passion
My head speaks and so does my heart
am lost in the beautiful city and for ever i want to be
Here, laughter is a pleasant sound
it spreads joy all around
flushing out every despairs of the heart

Just for this city
i will open my eyes and ask the creator for one more day
this are my praises for the city in you!!

Vadodara the banyan city

Friday, 16 March 2018

ছেলেবেলার​ রতিবাটী ৩ নং কোলেয়ারী🎱👆
***********
মাঝে মাঝে রাস্তায় ছোট্ট, ছোট্ট ছেলেদের দুরন্তপনা দেখে! অতীতের সেই ফেলে আসা দিনের কথা মনে পড়ে যায়!! তখন চোখ বন্ধ করে সেই ছোটবেলায় ফিরে যাই। আমি খুব দুরন্ত ধরনের ছিলাম। ছাতে, পেয়ারা গাছের মগডালে খেলতাম, নিজের সাথে নিজেই কথা বলতাম, গল্প করতাম, এই অভ্যাস এখনো রয়ে গেছে। হয়ত কেউ খেয়াল করলে আমাকে পাগল ভাববে।
**
ছোটবেলার কিছু ছবি এখনো চোখে ভাসে, কিন্তু এর মধ্যে কিছু ছবি মনে হয় মনের কল্পনা। আমরা রতিবাটী কলেয়ারী তে থাকতাম। আমার বাবার​ কোলিয়ারিতে চাকরি করার সুত্রে। আমাদের বাসার ঠিক সামনেই 3NO,7NO কোলিয়ারি পিছনে দিগন্ত বিস্তৃত খোলা মাঠ, মাঠের পরেই আমবাগান আর নুনিয়া নদী। একদিন বিকেলের কথা মনে আছে। প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে, ঘরে লাল বাতি জ্বালানো। আমি বৈঠকখানা ঘরের​ জানালার সামনে বসে বৃষ্টি দেখছি। তুমুল বৃষ্টি, সামনের সব ঝাপসা। চোখ বন্ধ করে এই স্মৃতি মনে করলে এর সাথে সাথে আরেকটা ছবি ভেসে উঠে, এই বৃষ্টির মধ্যে পাসের তাল পুকুরে (কোমোলায়) কুড়োজাল দিয়ে চিংড়ি মাছ ধরার সেই স্মৃতি আজ শুধুই কল্পনা, আজ এত দুরে বসে সেই ছেলেবেলার আমাদের 3 NO পাড়ার সব স্মৃতি স্পষ্ট দেখি। আমাদের বাসাটা পাড়ার শেষ প্রান্তে, আমাদের বাসার পাশেই​ ছিল গুলিমাটির ঘর, ওখানে দাদারা সরস্বতী পূজা করতো! পেঙ্গাদা,গুনাদা, পার্থদা, প্রসূন আরো অনেকে! একটু বড়ো হয়ে আমরা সবাই মিলে (বীবেক,জীবন, ইরশাদ, অসীম ও রামাকান্ত) সরস্বতী পূজা করতাম! কত মান অভিমান সেই পুজো কে কেন্দ্র করে! এক সময় আবার সবাই বন্ধু হয়ে যেতাম!বাসার অন্য এক পাসে ছিল কলিয়ারীর মেস, সেখানে বাংলার নানান প্রান্তের মানুষের বসবাস ছিল,রোজ সন্ধ্যায় তাসের আসর বসতো!
মেসের ঠিক উল্টো দিকে ছিল বীবেক ও প্রকাশ দের কোয়ার্টার (বাসা) অন্য প্রান্তে এক সমান্তরালে ছিল আমাদের সবার বাসা! আমাদের কোয়ার্টারের সেই লম্বা ছাতটা কথা খুব মনে পড়ে!! গ্রীষ্মকালে​ সবাই মিলে ছাতে ঘুমানোর স্মৃতি! শীতকালে সবাই মিলে গোল হয়ে কয়লার আগুনের​ চারপাশে বসে আগুন পোহানোর সেই স্মৃতিগুলো​ এখনো শীতের দিনে খুঁজে বেড়ায়!!!! কত মানুষের স্মৃতি নিয়ে আজকের 3NO ভারাক্রান্ত! সময়ের কলচক্রে অতীত হারিয়ে গেছে! নিজের মত করে কত ছবি না বানায়, অতিত আর বর্তমান কে একসময় আলাদা করাটাই কষ্ট হয়ে দাড়ায়।
আজ এত দুরে বসে সেই ছেলেবেলার সেই মানুষ জনের কথা পুরানো সাথিদের কথা হঠাৎ মনের মাঝে ভেসে ওঠে!! ছেলেবেলার আমাদের সেই ছোট্ট পাড়ার কথা! সেই সব পরিবার গুলি, একটা পারিবারের মত সবাই মিলে মিশে একসাথে সুখ, দুঃখ ভাগ করে নিত! ছেলেবেলার সেই সব পরিবার গুলি কোথায় যেন হারিয়ে গেছে!
*******
ফেলে আসা দিনগুলো!!!